অবৈধ মজুত ও বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে হারুন অর রশিদ বলেন, আমাদের মোটরসাইকেলে ব্যবহারের জন্য ড্রামে কিছু পেট্রোল রাখা ছিল। কিন্তু প্রতিবেশীদের কেউ শত্রুতা করে বিষয়টি বাড়িয়ে প্রশাসনকে জানিয়েছে। প্রশাসন ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
তিনি আরও বলেন, আমার বাবা বিএনপির রাজনীতি করেন। বড় ভাই আওয়ামী লীগের সময় রাজনীতি করেছে। বাজারে তার তেলের দোকান আছে।
তবে নিজেদের মোটরসাইকেলের জন্য বসতবাড়িতে ড্রামে করে তেল সংরক্ষণ প্রশ্নে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি হারুন।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান জানান, বসতবাড়ির গোয়ালঘরে পেট্রোল মজুত করায় ১০ হাজার জরিমানা ও তেলের ড্রাম জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জড়িতদের সতর্ক করা হয়েছে।
