শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন

গত বছর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে আটই অগাস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এই সরকার বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসার চার মাসের মাথায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান স্থগিত ঘোষণা করে।
তবে এক বছর পর এ বছরও এই অন্তর্বর্তী সরকার বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান স্থগিত করেছে।
গত ১৯ শে নভেম্বর দেশটির স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, “বিজয় দিবসে অস্থিরতার আশঙ্কা নেই। আগে যেমন ছিল এবারও কর্মসূচি থাকবে। বরং আগের চেয়ে কর্মসূচি বেশি হবে। তবে এবারও প্যারেড কর্মসূচি হবে না।”
কেবল রাজধানী নয়, জেলা-উপজেলা পর্যায়েও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান হচ্ছে না বলে জানানো হয়।
তবে বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র নিজেদের সামরিক শক্তির প্রদর্শন করে এবং এটি ঐতিহাসিক রেওয়াজ বলে উল্লেখ করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এদিকে, কুচকাওয়াজ হলে রেওয়াজ অনুযায়ী সামরিক বাহিনীগুলোকে বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে সালাম দিতে হবে, যা অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য ‘বিব্রতকর’, এটিকে কুচকাওয়াজ না হওয়ার পেছনে একটি কারণ বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ।
এ বিষয়ে কথা বলতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।