১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পরাজয় নিশ্চিত জেনে এদেশকে মেধাশূন্য করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তানি হানাদারেরা। বিজয়ের একদিন আগে ১৪ ডিসেম্বর এদেশীয় রাজাকার, আলবদরদের সহযোগিতায় দেশের
গতকাল রোববার ইসি সচিবালয়ের উপ সচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা) মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এ সংক্রান্ত পত্র দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল গত
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মীর বলেন, কারা এবং কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। সিসি টিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। পুলিশ অপরাধীদের ধরতে
গত বছর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে আটই অগাস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এই সরকার বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসার চার মাসের মাথায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে ১৬ই ডিসেম্বর
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। তারেক রহমান বলেন, “পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা রাও ফরমান আলীর ডায়রিতে যে বুদ্ধিজীবীদের তালিকা পাওয়া যায়, সেটি
রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ইং তারিখ, বিকাল ৪:৩০ মিনিটে দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এম সাইফুর রহমান মিন্টুর সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার এবং সন্তানরাও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশে সদ্য ঘোষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিলেও নির্বাচন বয়কটের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ক্ষমতাচ্যুত ও বর্তমানে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ। দলটি ‘নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ সরকারের
সম্পাদক প্রকাশক : বি এম রাকিব হাসান, নির্বাহী সম্পাদক : আবির হাসান অনিক, ব্যবস্থ্যাপনা সম্পাদক : কাজী মিজানুর রহমান, বার্তা সম্পাদক, শেখ রাজিব, মফস্বল সম্পাদক : আমির হাসান অমিত।