বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন

স্বাধীন বাংলা সংবাদ | কণিকা ডেস্ক রিপোর্ট
আজ খুলনা জেলার ১৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ঢাকা ও চট্টগ্রামের পরে দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শিল্প ও বন্দরনগরী খুলনা আজ নানা আয়োজনে দিবসটি উদ্যাপন করছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রূপসা ও ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত এই শহরটির রয়েছে ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং প্রাচীন নদীবন্দরের গৌরব।
খুলনা নামের উৎপত্তি নিয়ে রয়েছে নানা মত। আলোচিত মত অনুযায়ী, ধনপতি সওদাগরের স্ত্রী খুলনার নামে নির্মিত ‘খুলনেশ্বরী মন্দির’ থেকেই খুলনা নামের উৎপত্তি। ১৮৪২ সালে নয়াবাদ থানা ও কিসমত খুলনাকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়। এরপর ১৮৮২ সালের ২৫ এপ্রিল গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে খুলনা জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
দিবসটি উপলক্ষে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। সকাল ১০টায় শিববাড়ি মোড়ে সমাবেশের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়, পরে বের হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। আয়োজনের মধ্যে রয়েছে স্মরণিকা প্রকাশ, খুলনা মেজবানী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এর আগে দিবসটি সফলভাবে পালনের জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মজিদ সরণীস্থ খুলনা ভবনে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ আশরাফ উজ জামান এবং সঞ্চালনা করেন এড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ। এতে বক্তব্য রাখেন মোঃ নিজামউর রহমান লালু, অধ্যাপক মোঃ আবুল বাশার, মিজানুর রহমান বাবু, শেখ আব্দুস সালাম শিরোমনি, প্রকৌশলী রফিকুল আলম সরদারসহ অনেকে।
খুলনার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।